dailykagojkolom.com
সর্বশেষ :
dailykagojkolom.com এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।
শিরোনাম :
২০২৭ সাল থেকে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা জমি দখলের অভিযোগ, গুজব ছড়িয়ে মব তৈরির চেষ্টা পাগলাপীরে নজরুলের চেতনায় নতুন প্রজন্ম, গঙ্গাচড়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ‎ গঙ্গাচড়ায় ডেইরি ফার্ম পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সব সম্ভব টাকায় গঙ্গাচড়ায় দুঃস্থদের মাঝে ডাসের উদ্যোগে বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ দিনাজপুরে আফাআউস কার্যালয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ দিনাজপুরে রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারী দলের নবনির্বাচিত কমিটির মতবিনিময় মেলা নিয়ে অভিযোগের জবাব, নথিপত্রসহ তদন্ত দাবি কৃষক দল নেতার ‎ পুঁজি কেন দেশ ছাড়বে না—দেশকে আগে বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ করতে হবে

গুদাম থেকেই ৩২৭ টন সার বিক্রির অভিযোগ, আটক স্টোরকিপার

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

 

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি:

দিনাজপুর সদর উপজেলার নশিপুর এলাকায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সরকারি সারগুদাম থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া প্রায় ৩২৭ টন সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুদামের দায়িত্বে থাকা স্টোরকিপার মো. আকতারুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নশিপুর এলাকায় বিএডিসির সরকারি সারগুদামে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। আকতারুল ইসলাম (৩৫) খানসামা উপজেলার আরাজি জুগিরগোপা গ্রামের আফসার আলীর ছেলে।
কোতোয়ালি থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি গুদাম থেকে অনুমোদন ছাড়া বিপুল পরিমাণ সার বিক্রির তথ্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আসে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)সহ পুলিশের একটি দল গুদামে অভিযান চালায়। এ সময় আকতারুলকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আকতারুল গত জুলাই ও আগস্ট মাসের বিভিন্ন সময়ে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া গুদাম থেকে প্রায় ৩২৭ টন সার বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বীরগঞ্জ উপজেলার সোহাগ হোসেন (৩৮) এবং কাহারোল উপজেলার আনসারুল ইসলাম (৪২) নামের দুই ব্যক্তির কাছে এসব সার বিক্রি করা হয়। তাঁরা বিএডিসির চুক্তিবদ্ধ ডিলার বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তবে সার বিক্রির ক্ষেত্রে কী ধরনের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আর কেউ জড়িত ছিলেন কি না এবং বিক্রি করা সারের অর্থ বা হিসাব কীভাবে সমন্বয় করা হয়েছে এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিএডিসি সূত্রে জানা গেছে, নশিপুর এলাকায় কাঞ্চন ও স্টিল নামে দুটি সারগুদাম রয়েছে। দুটি গুদামের মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ১৮ হাজার টন। সেখানে এমওপি, ডিএপি ও টিএসপি সার মজুত রাখা হয়।
এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ নূরনবী বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্তে সরকারি সার অনুমোদন ছাড়া বিক্রির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2026 dailykagojkolom.com
Design & Development By HosterCube Ltd.