dailykagojkolom.com
সর্বশেষ :
dailykagojkolom.com এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।
শিরোনাম :
২০২৭ সাল থেকে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা জমি দখলের অভিযোগ, গুজব ছড়িয়ে মব তৈরির চেষ্টা পাগলাপীরে নজরুলের চেতনায় নতুন প্রজন্ম, গঙ্গাচড়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ‎ গঙ্গাচড়ায় ডেইরি ফার্ম পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সব সম্ভব টাকায় গঙ্গাচড়ায় দুঃস্থদের মাঝে ডাসের উদ্যোগে বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ দিনাজপুরে আফাআউস কার্যালয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ দিনাজপুরে রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারী দলের নবনির্বাচিত কমিটির মতবিনিময় মেলা নিয়ে অভিযোগের জবাব, নথিপত্রসহ তদন্ত দাবি কৃষক দল নেতার ‎ পুঁজি কেন দেশ ছাড়বে না—দেশকে আগে বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ করতে হবে

দিনাজপুরে তীব্র লোডশেডিং: ব্যবসায়িক ক্ষতি ও জনভোগান্তির পাশাপাশি ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের বিক্ষোভ

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩০ বার পঠিত

 

আব্দুস সালাম, দিনাজপুর :

দিনাজপুর জেলা জুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতির কারণে তীব্র লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। দৈনিক চার থেকে পাঁচবার, এমনকি কোনো কোনো এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ব্যাহত হচ্ছে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু কিছু এলাকায় দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকছে না।
বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম।
নেসকো-২ (বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা): যেখানে প্রতিদিনের চাহিদা ২৮ মেগাওয়াট, সেখানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৮ থেকে ২০ মেগাওয়াট।
নেসকো-১: ২১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সর্বনিম্ন ১৬.৪ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে।
দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ (৫টি উপজেলা): ১২০ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মিলছে মাত্র ৮০ থেকে ৯০ মেগাওয়াট।
চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে এই বড় ধরনের পার্থক্যের কারণে বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ বিভাগকে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। দিনাজপুর একটি প্রধান চাল উৎপাদনকারী অঞ্চল হওয়ায় সেখানকার রাইস মিলগুলো বিদ্যুৎ সংকটে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে। বারবার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে মিলের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পাওয়ায় এই প্রভাব চালের উৎপাদন ও বাজারদরের ওপর পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দিনের পর দিন বিদ্যুতের এই তীব্র সংকট চলতে থাকায় চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১ আগস্ট রাতে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে আফতাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ এরিয়া অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা। পরবর্তীতে গত ১১ আগস্ট নবাবগঞ্জে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে একদল বিক্ষুব্ধ গ্রাহক পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুর চালান।
বর্তমানে বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে সরবরাহ বৃদ্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো জনপ্রিয় সংবাদ
© All rights reserved © 2026 dailykagojkolom.com
Design & Development By HosterCube Ltd.