dailykagojkolom.com
সর্বশেষ :
dailykagojkolom.com এ আপনাকে স্বাগতম।।। নিত্য নতুন খবর সবার আগে পেতে আমাদের সাথে থাকুন।।। ধন্যবাদ।।।
শিরোনাম :
২০২৭ সাল থেকে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা জমি দখলের অভিযোগ, গুজব ছড়িয়ে মব তৈরির চেষ্টা পাগলাপীরে নজরুলের চেতনায় নতুন প্রজন্ম, গঙ্গাচড়ায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ‎ গঙ্গাচড়ায় ডেইরি ফার্ম পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সব সম্ভব টাকায় গঙ্গাচড়ায় দুঃস্থদের মাঝে ডাসের উদ্যোগে বিনামূল্যে ছাগল বিতরণ দিনাজপুরে আফাআউস কার্যালয়ে ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ দিনাজপুরে রেলওয়ে শ্রমিক-কর্মচারী দলের নবনির্বাচিত কমিটির মতবিনিময় মেলা নিয়ে অভিযোগের জবাব, নথিপত্রসহ তদন্ত দাবি কৃষক দল নেতার ‎ পুঁজি কেন দেশ ছাড়বে না—দেশকে আগে বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ করতে হবে
সারাদেশ

জামালপুরের মেলান্দহে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, ধান রোপণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের আশঙ্কা

  নিজস্ব সংবাদদাতা, জামালপুরঃ জামালপুরের মেলান্দহে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সংঘবদ্ধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিরোধীয় জমিতে ধান রোপণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা মেলান্দহ থানায়

বিস্তারিত পড়ুন..

ফুলছড়িতে গুদাম থেকে দোকানে যাওয়ার আগেই সার বিক্রির অভিযোগ : দুর্বল মনিটরিং নিয়ে প্রশ্ন

  বায়েজিদ, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি বরাদ্দের সার নিয়ে অনিয়ম, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নদীবেষ্টিত ও দুর্গম চরাঞ্চলের কৃষকদের অভিযোগ, গুদাম থেকে নির্ধারিত ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্রে পৌঁছানোর আগেই কোনো কোনো ক্ষেত্রে সার খুচরা ব্যবসায়ী ও কালোবাজারিদের কাছে হাতবদল হয়ে যাচ্ছে। আবার এক উপজেলার নামে বরাদ্দ করা সার অন্য উপজেলা, এমনকি জেলার বাইরেও চলে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ফলে কৃষি মৌসুমে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ফুলছড়ির এরেন্ডাবাড়ী, ফজলুপুরসহ নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের হাজারো কৃষক। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সার পাওয়ার কথা থাকলেও সংকটের সুযোগ নিয়ে ৫০ কেজির এক বস্তা সারের ক্ষেত্রে স্থান ও পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ করেছেন কৃষকেরা। কৃষকদের অভিযোগ, সার সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় একটি অসাধু চক্র সক্রিয় রয়েছে। কোনো কোনো ডিলার গুদাম থেকে সার উত্তোলনের পর নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার আগেই তা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিএডিসি ডিলারদের পাশাপাশি বিসিআইসি ডিলারদের বরাদ্দ, উত্তোলন, সরবরাহ ও বিক্রয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, “আমাদের ইউনিয়নটি ফুলছড়ির মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন। মৌসুমে সার-বীজ সংগ্রহ করতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়। কৃষি অফিসের লোকজনকে বারবার সমস্যার কথা জানিয়েও কার্যকর সমাধান পাইনি। সময়মতো সার না পেলে ফসলের কী হবে—এ নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় থাকি।” তিনি বলেন, কাগজে-কলমে সারের সংকট না থাকলেও মাঠের বাস্তব চিত্র ভিন্ন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং সভায় সরবরাহ স্বাভাবিক এবং নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রির কথা বলা হলেও কৃষকেরা সবসময় তার সুফল পাচ্ছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কৃষক অভিযোগ করেন, অবৈধভাবে সার বিক্রি করা কিছু খুচরা ব্যবসায়ীও এ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। তাদের দাবি, অসাধু ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের একটি অংশের যোগসাজশে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে সার বিক্রি করা হচ্ছে। কৃষকদের আরও অভিযোগ, সার বিতরণ ও বিক্রয় তদারকির দায়িত্বে থাকা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মনিটরিং ব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয়। কেউ কেউ দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে অসাধু ডিলারদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের অভিযোগও করেছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কৃষক ও এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল খালেক মাস্টার বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষকের জন্য সারের কোনো কমতি রাখেনি। কিন্তু অসাধু সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে গিয়ে কৃষকেরা সার পাচ্ছেন না। পাওয়া গেলেও বেশি দাম দিতে হচ্ছে। কৃষি অফিসে অভিযোগ করেও যদি সমাধান না হয়, তাহলে আমরা কার কাছে যাব?” বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফুলছড়ি উপজেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবুল খায়ের বলেন, “বিভিন্ন সময় অনেক কৃষকের কাছ থেকে এ ধরনের অভিযোগ আসে। তাদের হয়রানির কথাগুলো নিয়মিত শুনতে হয়। আমি মনে করি, দ্রুত এসব সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।” চরাঞ্চলের আরেক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা নদীর চরে ফসল ফলাই। একদিকে নদীভাঙন, অন্যদিকে যাতায়াতের কষ্ট। তার ওপর সার কিনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা দিতে হলে ফসল করে লাভ কোথায়? সার কিনতেই যদি এত টাকা চলে যায়, তাহলে পরিবার চালাব কীভাবে?” কৃষকদের অভিযোগের বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফিরোজ মাহমুদের সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, “বিষয়টি যাচাই করে দেখছি। মনিটরিং বৃদ্ধি করা হবে। একই সঙ্গে ডিলারদের গাফিলতি পাওয়া গেলে প্রয়োজনে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” ফুলছড়ির নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে সারের সংকটের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন এসব এলাকায় নৌপথনির্ভর যোগাযোগ এবং পরিবহন ব্যয়ের কারণে কৃষকদের বাড়তি অর্থ খরচ করতে হয়। এর সঙ্গে যদি অসাধু ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা যুক্ত হয়, তাহলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ। কৃষকেরা বলছেন, সময়মতো সার না পাওয়ায় ফসলের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করা সম্ভব হয় না। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে। অথচ চরাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক পরিবার সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষকদের অভিযোগের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সার মনিটরিং ব্যবস্থাকে ঘিরে। নিয়মিত সভা, বাজার তদারকি এবং ডিলারদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকার পরও যদি কৃষকের কাছে নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছানো না যায়, তাহলে সেই তদারকি কতটা কার্যকর—এ প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। কৃষকদের দাবি, শুধু সভা করে ‘সার সংকট নেই’ ঘোষণা না দিয়ে সরেজমিনে ডিলারদের গুদাম, বিক্রয়কেন্দ্র, খুচরা বাজার এবং চরাঞ্চলের কৃষকদের কাছে সার পৌঁছানোর বাস্তব চিত্র দেখতে হবে। তাঁরা বিএডিসি ও বিসিআইসি—উভয় শ্রেণির ডিলারের বরাদ্দ, উত্তোলন, পরিবহন ও বিক্রির তথ্য ডিজিটালভাবে যাচাই, নির্ধারিত মূল্যের বাইরে সার বিক্রি বন্ধ, অবৈধ খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং এক উপজেলার বরাদ্দ অন্যত্র চলে যাচ্ছে কি না—তা কঠোরভাবে নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। সরকার কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমাতে ভর্তুকির মাধ্যমে সার সরবরাহ করছে। কিন্তু সেই ভর্তুকির সুবিধা যদি কৃষকের পরিবর্তে মধ্যস্বত্বভোগী ও অসাধু ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যায়, তাহলে সরকারের কৃষিবান্ধব উদ্যোগের উদ্দেশ্য কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে—এখন সেটিই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন..

ফেসবুকের বিকল্প হতে রংপুরের ‘ফ্রিডার’

‎ ‎মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, ‎রংপুর: ‎ ‎রংপুর থেকে দেশীয় প্রযুক্তিতে যাত্রা শুরু করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ফ্রিডার’। ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটকের মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের আধিপত্যের মধ্যে নিজেদের প্রযুক্তি, কনটেন্ট ও সৃজনশীলতাকে

বিস্তারিত পড়ুন..

গঙ্গাচড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ সংকট, পাশে দাঁড়ালেন জিওন

‎ ‎মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল ‎রংপুর: ‎ ‎বিদ্যুৎ সংকটে গংগাচড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ায় রোগীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নিজস্ব অর্থায়নে অত্যাধুনিক হাইব্রিড সোলার ইনভার্টার ও আইপিএস

বিস্তারিত পড়ুন..

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, দুই আসামি গ্রেপ্তার

বায়েজিদ, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা সদর উপজেলায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ৪০ গ্রাম শুকনা গাঁজা ও গাঁজা সেবনের সরঞ্জামসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৩ আগস্ট রাত ১টা ৪০ মিনিটে সাহাপাড়া ইউনিয়নের বাউলারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সবুজ আকন্দ (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪০ গ্রাম শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাদেকুল ইসলাম ওরফে সাদেকের বাড়ির আঙিনা থেকে দুটি কাঁচা গাঁজার গাছ, গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম, গাঁজা মাপার যন্ত্র ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, সবুজ আকন্দের বিরুদ্ধে আগে তিনটি এবং সাদেকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। এদিকে, ১৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে গাঁজার গাছ মামলার পলাতক আসামি সাদেকুল ইসলাম ওরফে সাদেককে তার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে ১২ আগস্ট রাতে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া এলাকায় ইয়াবা সেবনের অভিযোগে রনি মিয়া (২৪) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বিস্তারিত পড়ুন..

৫০ পেরিয়ে ৫১-তে দৈনিক করতোয়া, গঙ্গাচড়ায় উদযাপন

‎ ‎মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, ‎রংপুর: ‎রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দেশের বহুল প্রচারিত দৈনিক করতোয়া পত্রিকার ৫০তম বর্ষপূর্তি ও ৫১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কেক কাটা হয়েছে। বুধবার রাতে গঙ্গাচড়া প্রেসক্লাবে

বিস্তারিত পড়ুন..

রংপুরে গ্যারেজে মিলল বৃদ্ধের রক্তাক্ত মরদেহ, বাইরে তালা ‎

‎মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল, ‎রংপুর: ‎ ‎রংপুর নগরীর তাজহাট আনসারীর মোড় এলাকায় রিকশার গ্যারেজের ভেতর থেকে আব্দুর রহমান (৬৫) নামের এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে

বিস্তারিত পড়ুন..

মাদক ও বালু—এ যেন একই সূত্রে গাঁথা, চুনোপুঁটিদের বন্ধ হলেও বন্ধ হয়নি প্রভাবশালীদের বালু উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালিত হলেও প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ছোটখাটো বালু ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম

বিস্তারিত পড়ুন..

রংপুরবাসীর অধিকার খাটো করা হয়েছে’, মন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে জামায়াত

‎ ‎মোঃ শফিকুজ্জামান সোহেল ‎রংপুর: ‎ ‎ভোটাধিকার, রাজনৈতিক মর্যাদা ও উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে

বিস্তারিত পড়ুন..

জামালপুরে গ্যাস সংকটে সিএনজি চালকদের মহাসড়ক অবরোধ

মোঃ শামীম হোসেন, জামালপুর: জামালপুরে গ্যাসের সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজি চালক ও সাধারণ যাত্রীরা। সংকট নিরসনের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে জামালপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সিএনজি

বিস্তারিত পড়ুন..

© All rights reserved © 2026 dailykagojkolom.com
Design & Development By HosterCube Ltd.